বাংলাদেশের RAB বাহিনী কুকুর দিয়ে কি করে থাকে

0
837

বাংলাদেশের RAB বাহিনীতে রয়েছে হিংস্র জার্মান সেফাত কুকুর। বুদ্ধিমত্তা ও হিংস্রতার দিক দিয়ে এই কুকুর বিশ্বসেরা। RAB এর কাছে এই ধরনের ২০ টি কুকুর আছে বলে জানা যায়। এই কুকুর গুলো যা করতে পারে সেটা সাধারণ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব না।

অসম্ভব কে সম্ভব করতে এই কুকুর গুলকে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এক একটি কুকুরের দাম শুনলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। এক একটা কুকুরের বর্তমান বাজার মূল্য ৯,৫০,০০০ টাকার মত। আর বিষটি কুকুর কিনতে RAB এর খরচ হয়েছিল ১ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা।

এক একটি জার্মান সেফাত কুকুরের ওজন ৪৫ কেজিরও বেশি হয়ে থাকে। এই কুকুরের ঘ্রাণ শক্তি পৃথীবীর অন্য কুকুরের থেকে আলারদা। এই কুকুর গুলো ১ কি মি বা থার থেকেও বেশি দূরত্ব থেকেও গন্ধকে শুকে নিতে পারে।

লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ও গোলা বারুদ ঘ্রান শক্তির মাধ্যমে সনাক্ত করে পারে। এছাড়া এই কুকুর অপরাধীকে শনাক্ত করার কাজে এটি তার ঘ্রান শক্তিকে ব্যবহার করে। এটি অপরাধীকে পিছন থেকে ধাওয়া করার জন্য দ্রুত গতিতে অনেকটা চিতা বাঘের মত ছুটতে পারে। পিছন থেকে ঘায়েল করার জন্য এদেরকে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এই কুকুর গুলকে ফাইটিং ট্রেনিং দেয়া হয়। ৩-৪ জন শক্তিশালী মানুষকে একটি মাত্র কুকুরই কুপকাত করতে পারে।

কুকুর গুলোর চোয়ালে রয়েছে কামরে রয়েছে বিশেষ জোড়। এক কামড়ে হাত পা ছিঁড়ে নিলেও এটা অবাক হবার মত কোন বিষয় নয়। খুব সাবধানতার সাথে কুকুর গুল নিয়ন্ত্রণ করে র‍্যাব বাহিনী। একটু এদিক ওদিক হলে তারাও বিপদে পড়তে পড়ে যে কোন সময়। কুকুর গুল খুব বিপদ জনক হওয়াতে কুকুর গুলো নিয়ন্ত্রে বিশেষ ট্রেনিং দেয়া হয় র‍্যাব সদস্যকে। তবে এই কুকুর গুলো প্রভু ভক্ত হয়ে থাকে।

তবে নিরাপত্তার দিক দিয়ে জার্মান সেফাত কুকুর গুলো যথেষ্ট নির্ভর যোগ্য। এই কুকুর গুলোর কাজ মাদক পাচার নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ ভুমিকা পালন করা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here