জাতীয় দলের অধিনায়ক মিরাজ

0
656
ছবিঃমাশরাফি মিরাজ

বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সেরা অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তজা ।তার আসাধারন অধিনায়কত্বে এক সাদামাটা বাংলাদেশ পৌঁছে গিয়েছে সেরাদের কাতারে ।মাশরাফির শুধু অধিনায়কত্বে নয় পারফরম্যান্সেও পঞ্চপান্ডবের একজনও বটে।সাকিব ,তামিম,মুশফিক,মাহম্মদুল্লাহ,মাশরাফি এই পাঁচজন যেন দলের প্রান ভোমরা। মাশরাফি মাঠে থাকতে অধিনায়ক অন্যজন সেটা ভাবাটা যেন অনুচিত,মেনে নেওয়াটাও দুষ্কর ।কিন্তু ইনজুরি জর্জরিত ক্যারিয়ারে বেশিরভাগই থেকেছেন মাঠের বাইরে ।এখনও মাঝেমধ্য অসহ্য ব্যাথায় চলে যান মাঠের বাইরে আর তখন কিছুসময়ের জন্য নেতৃত্বের ভার পরে সাকিব ,তামিম,মুশফিক,রিয়াদের কাঁধে ।কিন্তু যখন এনারা কেউ থাকবেন না তখন কে নেতৃত্ব দিবেন? প্রশ্ন আসাটা অস্বাভাবিক নয়! কারন এই পাঁচ ক্রিকেটারই প্রায় ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নে।সেটার ভাববার বিষয় হতে পারে তবে এশিয়া কাপে পাকিস্থানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ডু অর ডাই ম্যাচটি দেখলে অনেকেই হয়ত এর সমাধান এককথায় পেতে পারেন।এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচেই ছিটকে পড়েন তামিম ইকবাল,ইঞ্জুরী নিয়ে খেলা চালিয়ে গেলেও পাকিস্থনের বিপক্ষে সেটা সম্ভব হয়নি সাকিব আল হাসানের ইঞ্জুরীর কাছে পরাজিত হয়ে থাকতে হয় কেবল দর্শক হয়েই।তবে সিনিয়র হিসাবে ছিলেন মুশফিক,রিয়াদ,আর ম্যাশ।

বাংলাদেশ দল ফিল্ডিং করার সময় উইকেট কিপিংয়ে অস্বস্তিবোধ করে বিশ্রামে চলে গিয়েছিলেন ইঞ্জুরী নিয়ে খেলা মুশফিকুর রহিম।দলের ভরসা হয়ে যখন পাকিস্থানকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল শোয়েব মালিক ঠিক সেই মুহূর্তে সুপারম্যানের ভূমিকা পালন করেন ক্যাপ্টেন ফলশ্রুতিতে মালিক বিদায় নিলেও আঙ্গুলে চির ধরে ম্যাশের ব্যান্ডেজ করতে কিছু সময়ের জন্য যান মাঠের বাইরে ।ঠিক তার পর মাঠে ফিরে আরও একবার মাঠের বাইরে যেতে হয় মাশরাফিকে ঠিক সেই মুহূর্তে ছিলেন না মাহম্মদুল্লাহ রিয়াদও ।প্রায় এক যুগ পর পঞ্চপান্ডব ছাড়াই মাঠে থাকে বাংলাদেশ কিন্তু প্রশ্নটা হল অধিনায়ক নেই সহ অধিনায়ক নেই এমন কি পঞ্চপান্ডবের কেউই নেই তবে ঠিক সে মুহূর্তে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব কে পালন করেন?? তখন তরুন তুর্কি অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ কে ফিল্ডিং এলোমেলো করতে দেখা যায় তার মানে সিনিয়রদের অনুপস্থিতে কিছুসময় হলেও দলের অধিনায়ক বনে যান মেহেদী। ক্যাপ্টেন্সিতে মিরাজ ন্তুন নয় এর আগে অনুর্দ্ধ ১৯ দলের অধিনায়ক ছিলেন ১৯ বিশ্বকাপে সফলতার সাথে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দলকে তুলেছিলেন সেমিফাইনালে ।নিজের অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সে হয়েছিলেন ম্যান অফ দি টুর্নামেন্ট। সেই ধারাবাহিকতায় অনুর্দ্ধ ১৯ দলের শান্ত-সাইফুদ্দিন-মিরাজ ছাড়া জাতীয় দলে কেউই সুযোগ করে নিতে পারেন নি তবে শান্ত –সাইফুদ্দিন আশা যাওয়ার মধ্য থাকলেও মিরাজ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন দলের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসাবে কখনও বোলার,ফিল্ডার হিসাবে কখনও দলের বিপদে ব্যাট হাতে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন দলের অন্যতম সদস্য। ২০১৯ বিশ্বকাপের পরে যদি পঞ্চপান্ডব বিদায় নেন তাহলে কি বিসিবি মিরাজের ওপর আস্থা রাখবেন যেমনটি রেখেছিলেন অনুর্দ্ধ ১৯ দলে?? প্রশ্নটা তোলা রইল হয়তো প্রশ্নের উত্তর টা সন্নিকটেই মিলবে!

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here