বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ের বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত এবং কত বছর বয়সে বিয়ে করা উচিত।

0
2597

আমরা জানি বিয়ে মানেই কিন্তু শারীরিক সর্ম্পক নয়। বিয়ের সাথে জড়িত থাকে অর্থিক বিষয়, ভালবাসা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। একটি বিয়ে মানে কোন ছেলে খেলা না। এজন্য প্র্রতিটা মানুষের এমন একটা সময় বিয়ে করা উচিৎ যে বয়সে একটা মানুষ একটি মানুষের দায়িত্ব নিতে পারে। দায়িত্ব বলতে সুধু টাকা পয়সার দায়িত্ব না। দায়িত্ব বলতে মানুষিক দায়িত্বকেও বোঝায় আবার একে অন্যের প্রতি ভালবাসাকেও বোঝায়। এবং শারীরিক ভাবে পরিণত হবার একটা বিষয় আছে।

আমাদের দেশের বাবা মায়েরা মেয়ে দের মিন্স সুরু হলেই মনে করে মেয়ের বিয়ের বয়স হয়ে গেছে। বিয়ের পরই মেয়ের শারীরিক সর্ম্পক হবে কিন্তু শারীরিক সর্ম্পক হবার জন্য তার যে ফিমেল অর্গান গুলো রয়েছে সেগুল পরিপূর্ণ হয়েছে কি না সেটা একটা বিষয়। পরিপূর্ণ যদি না হয় তাহলে সে এমনি তেই একটা বাচ্ছা মেয়ে। তার মধ্যে যদি সে আবার গর্ভবতী হয়ে যায়। সে নিজেই একটা বাচ্ছা মেয়ে তার মধ্যে যদি নিজেই গর্ভবতী হয়ে যায় তাহলে বাচ্ছা সঠিক পুষ্টি পাবেনা। সাথে সাথে এই মায়ের অর্গান গুলো যেহেতু পরিপুষ্ট হয়নি তাই মাও বিভিন্ন জটিলতায় পড়বে। সন্তান এবং মা দুজনই হুমকির মুখে পড়বে।

এজন্য বাংলাদেশ এর আইন এ মেয়েদের ১৮ বছর বলা হয়েছে কারণ এর পিছনে আগের যুক্তি গুলো রয়েছে। আর ছেলেদের ২১ বছর করা হয়েছে।

এবার আসুন বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ের বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিতঃ সম বয়সী বিয়ে করলে কি সমস্যা আছে ? হা সমস্যা আছে এবার নাইও। তবে অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা নাই। যদি দুজন মানিয়ে নিতে পারেন তা হলে সমস্যা নাই। কারণ দেখা যায় একটা পুরুষ এর শারীরিক চাহিদা যে বয়স পর্যন্ত থাকে সে পর্যন্ত একটা মেয়ের থাকে না। তখন দেখা যায় তাদের মধ্যে একটা জটিলতার সৃষ্ট্রি হয়। এজন্য বলা হয়ে থাকে ছেলে-মেয়ের বয়সের ব্যবধান ৩-৪ বছর হওয়া ভাল। এজন্যই মেয়েদের ১৮ আর ছেলেদের ২১ রাখা হয়েছে।

আর যদি বেশি ছোট হয়ে যায় তা হলে একটু ঝামেলা হয়। কারণ তাদের মধ্যে বোঝাপড়ায় একটা সমস্যা হয়। একজন এর বয়স ৩০ বছর বিয়ে করল ১৮ বছর এর একজনকে তখন তাদের মধ্যে বোঝাপড়ায় খুব অমিল হয়। এবং মানসিক দিকদিয়ে ও ঝামেলা হতে পারে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা নাও হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা হয়।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here