উকুন দুর করার উপায়

0
595

উকুন কেন হয় :

অন্যের তোয়ালে বা গামছা ব্যবহার করা যাবে না কারণ তার মাথায় উকুন থাকতে পারে এবং সেখান থেকে আপনার মাথায় ও উকুন ছড়াতে পারে। অপরিষ্কার অপরিছন্ন থাকা যাবে না। মাথায় তেল ব্যবহার করলে চুল এর মধ্যে ধুলা বালু ঢুকে সেখান থেকে ও উকুন হতে পারে। তাই ধুলা বালুর মধ্যে মাথায় তেল দিয়ে বের হওয়া ঠিক না। ভেজা চুল বেঁধে রাখা যাবে না। কারণ এগুল উকুন হবার জন্য সহায়ক।

উকুন দুর করার জন্য যা করতে হবে

প্রথম সতর্কতা হল বাজারে নানান ধরনের উকুন দুর করার সেম্পু ও সাবান আছে এগুল ব্যবহার করা যাবে না। কারণ এরা এমন খুব বেশি পরিমাণ কেমিক্যাল ব্যবহার করে থাকে। এগুল ব্যবহার এর ফলে আপনার চুল পরে যেতে পারে। এমন কি চর্ম রোগ পর্যন্ত হতে পারে। যা আপনার ত্বকের জন্য খুব ক্ষতি কারক। এজন্য ঘরোয়া কিছু পদ্বতি ব্যবহার করা উত্তম।

০১. উকুন দূর করার জন্য সাদা ভিনেগার ব্যবহার করতে পারি। ভিনেগার গোসল করার ৩০ মিঃ আগে মাথায় চুলের মধ্যে ভালভাবে লাগিয়ে নিব। ৩০ মিঃ পরে ভাল ভাবে সেম্পু করে নিব। এটা খুব ভাল কাজ করে।

০২. পানের রস। পানের রস গোসল এর আগে ব্যবহার করতে পারি। এটাও খুব ভাল কাজ করে উকুন দমনে।

০৩. পেট্রোলিয়াম জেলি সারা রাত মাথায় মেখে একটা তোয়ালে দিয়ে হাল্কা ভাবে মুরিয়ে রেখে দিতে পারেন। সকালে সেম্পু দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে ফেলবেন।

০৪. রসুন এর রস। গোসল করার ৩০ মিঃ আগে মাথায় চুলের মধ্যে ভালভাবে লাগিয়ে নিবেন। ৩০ মিঃ পরে ভাল ভাবে সেম্পু করে নিবেন। পেয়াজ এর রস ও একই ভাবে ব্যবহার করা যায়।

০৫. যাদের উকুন থাকার ফলে মাথায় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে তারা নিম পাতার সর ব্যবহার করতে পারেন। কারণ নিম পাতার রস উকুন ও ক্ষতের জন্য খুব ভাল কাজ করে।

এই পদ্ধতি গুল থেকে যেকোন একটি ব্যবহার করলেই আপনি উকুন সমস্যা থেকে পরিৰ্তান পেতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here